দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিদেশী হিসাবে (নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট) ডলার স্থিতি এখন রেকর্ড সর্বোচ্চে। চলতি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকগুলোর নস্ট্রো অ্যাকাউন্টের ডলার স্থিতি ছিল ৬ দশমিক ১৭ বিলিয়ন বা ৬১৭ কোটির বেশি। গত বছরের সেপ্টেম্বরে তা ছিল ৪ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলারে। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকগুলোর নস্ট্রো অ্যাকাউন্টে ডলার স্থিতি বেড়েছে ২৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ। ব্যাংকগুলোর বিদেশী হিসাবে ডলার ধারণ বাড়লেও তা দেশের আমদানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করায় কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না। উল্টো সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আরো প্রকট হচ্ছে ডলার সংকট। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ভাষ্য হলো নস্ট্রো অ্যাকাউন্টে ডলার ধারণ বাড়লেও ব্যাংকগুলোর বিদ্যমান দায়ের তুলনায় তা অনেক কম। এর মধ্যেই রেমিট্যান্স প্রবাহও কমছে আশঙ্কাজনক হারে। রফতানি আয়ের উল্লেখযোগ্য অংশও দেশে আসছে না। বিনিময় হারে চলমান অস্থিরতার কারণে আন্তঃব্যাংক ডলারের বাজারও পুরোপুরি বন্ধ। বিদেশী বিনিয়োগ ও ঋণের প্রবাহ এখন নিম্নমুখী। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ক্ষয়ও ক্রমাগত বাড়ছে। এসবের সম্মিলিত প্রভাবে ডলারের সংকট থেকে বেরোতে পারছে না বাংলাদেশ। 

মূলত আমদানির এলসি দায় ও বিদেশী ঋণ পরিশোধের জন্য ব্যাংকগুলো বিদেশী হিসাব বা নস্ট্রো অ্যাকাউন্টে ডলার সংরক্ষণ করে থাকে। এসব অ্যাকাউন্টে ডলারের স্থিতি এখন রেকর্ড সর্বোচ্চে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে উঠে এসেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের আগে ব্যাংকগুলোর নস্ট্রো অ্যাকাউন্টের স্থিতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল ২০২১ সালের জুলাইয়ে। সে সময় এর পরিমাণ উঠে দাঁড়িয়েছিল ৬০০ কোটি ৭৩ লাখ ডলারে, যা চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে দাঁড়িয়েছে ৬১৭ কোটি ৪০ লাখ ডলারে। গত বছরের সেপ্টেম্বর শেষে এর পরিমাণ ছিল ৪৯০ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এর আগে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এটি ছিল ৫৮৪ কোটি ৩৮ লাখ ডলার। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে ব্যাংকগুলোর বিদেশী হিসাবের ডলারের স্থিতি ছিল ৫১৩ কোটি ৫৫ লাখ। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বণিক বার্তাকে বলেন, ‘‌ব্যাংকগুলোর বিদেশী হিসাবে যে পরিমাণ ডলার আছে, দায় তার চেয়ে বেশি। দেশের অনেক ব্যাংকের নিট ওপেন পজিশন (এনওপি) এখনো নেতিবাচক। কিছু ব্যাংক নিজেদের সক্ষমতার বাইরে গিয়ে আমদানির এলসি খুলেছিল। সেসব এলসি দায় পরিশোধ করতে গিয়েই ডলার সংকটে পড়েছে। দায় পরিশোধের জন্য এসব ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বারস্থ হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সম্মান রক্ষার্থে ব্যাংকগুলোকে ডলার সহায়তা দিয়েছে। এ কারণেই রিজার্ভ কমে এসেছে।’ 

ডলার সংকট কমাতে ২০২২-২৩ অর্থবছরের শুরু থেকেই আমদানির লাগাম টেনে ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য এলসি খোলার শর্ত কঠোর করা হয়। ব্যাংকগুলোও ডলার সংকটের কারণে নিজেদের এলসি খোলা কমিয়ে দেয়। অর্থবছর শেষে আমদানির পরিমাণ হ্রাস পায় প্রায় ১৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেও (জুলাই-আগস্ট) আমদানি কমেছে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৪৭ শতাংশ। ডলার সংকটের কারণে ব্যাংকগুলো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির এলসিও খুলতে পারছে না। আবার দেশের অনেক ব্যাংক এখনো নির্দিষ্ট সময়ে এলসি দায় পরিশোধে ব্যর্থ হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আমদানি কমিয়ে ডলার সংকট কাটানোর চেষ্টা কাজে আসেনি। বরং রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের বড় বিপর্যয় এটিকে আরো উস্কে দিয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমেছে। সর্বশেষ সেপ্টেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে মাত্র ১৩৪ কোটি ডলার, যা গত ৪১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। রেমিট্যান্সের পতনের কারণ হিসেবে ডলারের বিনিময় হার নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর অবস্থানকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

দেশের ব্যাংকগুলোয় ডলার সংকটের তীব্রতা বোঝাতে গিয়ে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক সভাপতি আনিস এ খান বলেন, ‘‌একটি বিদ্যুৎ কোম্পানির জ্বালানি তেল আমদানির ১০ লাখ ডলারের এলসি খুলতে পাঁচটি ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীকে ফোন করেছিলাম। কিন্তু তাদের সবাই এলসি খুলতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। প্রত্যেকে ডলার সংকটের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের ট্রেজারিপ্রধানদের শাস্তি দেয়ার আতঙ্কের কথা বলেছেন। অত্যাবশ্যকীয় ১০ লাখ ডলারের এলসিও যদি খোলা না যায়, তাহলে এ ব্যাংক খাত নিয়ে বলার কী আছে?’

আনিস এ খান বলেন, ‘‌দেশের রিজার্ভ যখন ৫-৭ বিলিয়ন ডলার ছিল, তখন আমি ব্যাংকের এমডি ছিলাম। ওই সময় ৫-১০ মিলিয়ন ডলারের এলসি খুলতে ভয় পাইনি। কিন্তু এখন কেন আতঙ্ক তৈরি হলো, বুঝতে পারছি না। এলসি খুলতে না পারলে দেশের অর্থনীতির চাকা কীভাবে ঘুরবে। এ সংকট কাটিয়ে উঠতে হলে অবশ্যই ডলারের বিনিময় হার বাজার পরিস্থিতির ওপর ছেড়ে দিতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব এটি করতে হবে। না হলে রেমিট্যান্সের বাজার আরো বেশি হুন্ডিতে ঝুঁকবে।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ার শুরু গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে। ওই সময় আন্তঃব্যাংক লেনদেনে ডলারের সর্বোচ্চ দর বেঁধে দেয়া হয়। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোয় বিশেষ পরিদর্শন চালায় বাংলাদেশ ব্যাংক। বেশি দামে ডলার বেচাকেনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে সে সময় দেশী-বিদেশী ছয়টি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। ওই সময় রেমিট্যান্স এক ধাক্কায় ৫০ কোটি ডলার কমে গিয়েছিল। ২০২২ সালের আগস্টে ২০৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স দেশে এলেও সেপ্টেম্বরে তা ১৫৩ কোটি ডলারে নেমে আসে। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক যখনই ডলারের বিনিময় হার নিয়ে কঠোর হয়েছে, তখনই বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহে বিপর্যয় দেখা গেছে।

বেশি দামে ডলার বেচাকেনা ঠেকাতে গত মাসেও দেশের ব্যাংকগুলোয় বিশেষ পরিদর্শন চালিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরই মধ্যে ১০টি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে জরিমানা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ বিশেষ অভিযানের মধ্যেই রেমিট্যান্স প্রবাহে বিপর্যয় নেমে আসে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ব্যাংকগুলোকে যেকোনো মূল্যে রেমিট্যান্স আনার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। দেশের অন্তত ২৫টি ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ফোন করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ব্যাংক খাতে গতকাল প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১১০ টাকা ৫০ পয়সা। যদিও খুচরা বাজারে (কার্ব মার্কেট) প্রতি ডলার ১১৮-১১৯ টাকায় লেনদেন হয়েছে। ব্যাংকের তুলনায় খুচরা বাজারে বেশি দাম পাওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশীরা হুন্ডির মাধ্যমে বেশি রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। দেশের একাধিক ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী বণিক বার্তাকে বলেছেন, ‘‌ডলারের বাজার স্থিতিশীল করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভুল নীতিতে চলছে। এর আগে ঘোষিত দরের চেয়ে বেশি মূল্যে রেমিট্যান্স আনায় শাস্তি দেয়া হয়েছে। এখন যেকোনো মূল্যে রেমিট্যান্স আনার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেই ফোন করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরস্পরবিরোধী নীতিতে আমরা বিভ্রান্ত।’

দেশে যে পরিমাণ ডলার ঢুকছে, তার চেয়ে বেশি এখন বেরিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে দেশের ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট বা আর্থিক হিসাব নেতিবাচক ধারায় চলে গেছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টের ঘাটতি ছিল ২ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেই (জুলাই-আগস্ট) ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টের ঘাটতি ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এ কারণে ডলারের সংকট শিগগির কমে আসার সম্ভাবনা নেই বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সামগ্রিকভাবে দেশের বিদেশী ঋণ বাড়লেও গত এক বছরে বেসরকারি খাতের স্বল্পমেয়াদি ঋণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। ২০২২ সালের জুন শেষে স্বল্পমেয়াদি বিদেশী ঋণের পরিমাণ ছিল ১৬ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের আগস্টে তা ১২ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। রিজার্ভের অব্যাহত ক্ষয় ও ডলার সংকটের কারণে বিদেশী অনেক ব্যাংক বাংলাদেশের বেসরকারি খাত থেকে নিজেদের স্বল্পমেয়াদি ঋণ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের (বিপিএম৬) ভিত্তিতে বাংলাদেশের রিজার্ভ ছিল ২১ দশমিক শূন্য ৭ বিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবে দেশের নিট রিজার্ভ এখন ১৭ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। দেশের ব্যাংকগুলোর ঋণপত্রের (এলসি) দায় মেটানোর জন্য দুই বছরের বেশি সময় ধরে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি অর্থবছরের সাড়ে তিন মাসেই রিজার্ভ থেকে ৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিক্রি করতে হয়েছে। এর আগে ২০২২-২৩ অর্থবছরে রিজার্ভ থেকে রেকর্ড ১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করা হয়েছিল। ২০২১-২২ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার বিক্রির পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, প্রতি মাসে রিজার্ভ থেকে ১ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করতে হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারের ঋণ পরিশোধ করতে গিয়েও রিজার্ভের ক্ষয় বাড়ছে। আগামী মাসের (নভেম্বর) প্রথম সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ১৩০-১৪০ কোটি ডলারের এলসি দায় পরিশোধ করতে হবে। তখন এক ধাক্কায় রিজার্ভের পরিমাণ ১৯ বিলিয়নের ঘরে নেমে আসবে। ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। এর ধারাবাহিকতায় দেশের রিজার্ভ পরিস্থিতি আরো খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার গতকাল ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে ডলার সংকটের পাশাপাশি দেশের ব্যাংক খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে গভর্নর বলেন, ‘দেশের ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট ইতিবাচক ধারায় আনতে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারত থেকে ডলার সহায়তা নেয়ার চেষ্টা চলছে। এসব দেশ থেকে প্রত্যাশিত ঋণ পাওয়া গেলে ডলার সংকট অনেকটাই কেটে যাবে।’ 

এ সময় সংকট কাটাতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোর জন্য ব্যাংক নির্বাহীদের নির্দেশনা দিয়েছেন গভর্নর। পাশাপাশি অপ্রত্যাবাসিত রফতানি আয় দেশে ফেরানোর তাগিদও দেয়া হয়েছে। গভর্নর বলেছেন, ‘ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট ইতিবাচক ধারায় ফিরলে ডলারের বিনিময় হার বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়া হবে।’

বৈঠকে অংশ নেয়া একাধিক ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী বণিক বার্তাকে বলেছেন, ‘গভর্নরের বক্তব্যের সারমর্ম হলো আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে ডলার সংকট কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। এ সময়ের মধ্যে ডলারের বিনিময় হার বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়া হবে না। নির্বাচনের পর ব্যাংক খাতের সংস্কারসহ বেশকিছু কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে গভর্নর আভাস দিয়েছেন।’