সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) জাফলংয়ে পাথর লুটপাটের ঘটনায় মামলা হয়েছে। খনি ও খনিজ সম্পদ আইনে সোমবার রাতে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোনায়েম হোসেন গোয়াইনঘাট থানায় মামলাটি দায়ের করেন বলে জানিয়েছেন ওসি তোফায়েল আহমদ। তবে মামলায় কারো নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ৭, ৮ ও ৯ আগস্ট রাত ১টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বৃষ্টির মধ্যে জাফলংয়ের ইসিএ-ভুক্ত এলাকা থেকে অন্তত ৪০ হাজার ঘনফুট পাথর লুট হয়েছে।
গোয়াইনঘাট থানার ওসি তোফায়েল আহমদ জানান, মামলা হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
এর আগে ১৫ আগস্ট কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি থেকে পাথর লুটের ঘটনায় খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ারুল করিম অজ্ঞাতনামা ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে।
সারা দেশে ৫১টি কোয়ারি (পাথর ও বালু উত্তোলনের নির্দিষ্ট স্থান) আছে। এর মধ্যে সিলেটের কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরে আছে আটটি। এর বাইরে সিলেটের সাদাপাথর, জাফলং, বিছনাকান্দি, উৎমাছড়াসহ আরো ১০টি জায়গায় পাথর আছে। এসব জায়গা পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সীমান্তের ওপারে ভারতের পাহাড়ি নদী থেকে এসব পাথর আসে। ২০২০ সালের আগে সংরক্ষিত এলাকা বাদে সিলেটের আটটি কোয়ারি ইজারা দিয়ে পাথর উত্তোলনের সুযোগ দেয়া হতো। তবে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতির কারণে ২০২০ সালের পর আর ইজারা দেয়া হয়নি।










