চাঁদপুরে হঠাৎ করেই বেড়েছে জ্বর, সর্দি, কাঁশি, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা। আক্রান্তদের বেশির ভাগই শিশু। গতকাল পর্যন্ত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৫ শিশু। এ নিয়ে গত পাঁচদিনে দেড় শতাধিক শিশু ভর্তি হয়েছে। তবে শয্যা সংকটে করিডোর ও বারান্দার মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে অনেককেই।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে সব মিলিয়ে রোগী ভর্তি রয়েছে ৫৬২ জন। গত পাঁচ দিনে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে দেড় শতাধিক শিশু ভর্তি হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ছয় মাস থেকে দেড় বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা বেশি।
হাসপাতালের তৃতীয় তলার শিশু ওয়ার্ডে দেখা গেছে, জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়া নিয়ে ৭-১১ আগস্ট সন্ধ্যা পর্যন্ত শিশু ওয়ার্ডে দেড় শতাধিক রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৭ আগস্ট শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি ছিল ১১১ শিশু। ওইদিন নতুন করে ভর্তি হয় আরো ২৮ শিশু। ৮ আগস্ট ভর্তি ছিল ৯৬ জন, নতুন করে ভর্তি হয় ৩৫ জন। ৯ আগস্ট ভর্তি ছিল ১০৯ জন, ওইদিন নতুন করে ভর্তি হয় ৩৮ জন। ১০ আগস্ট ভর্তি ছিল ১০৭ জন এবং সারাদিনে আরো ২৫ শিশু ভর্তি হয়। গতকাল সকালে ভর্তি ছিল ১৩০ জন। সারাদিনে নতুন আরো ৩৫ শিশু ভর্তি হয়েছে। সব মিলিয়ে পাঁচদিনে ১৬০ শিশু ভর্তি হয়েছে। শিশু ওয়ার্ডের সব শয্যা পরিপূর্ণ। অনেকে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছে।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সৈয়দ আহমেদ কাজল বণিক বার্তাকে বলেন, ‘শিশুরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। একইভাবে অসুস্থ হচ্ছেন বৃদ্ধরাও। বিশেষ করে ভাইরাস জ্বরে বৃদ্ধদের সঙ্গে শিশুরাও হঠাৎ করে আক্রান্ত হচ্ছে। কিছুদিন ধরে হাসপাতালে শিশু রোগীর চাপ বেড়েছে। পাশাপাশি দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট।’










