যানবাহন সংকট নিয়ে চলছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কার্যক্রম। নিয়মিত টহলের জন্য অন্তত ১৫০টি চার চাকার যানবাহন প্রয়োজন হলেও রয়েছে মাত্র ৫৭টি। এর মধ্যেও কিছু রয়েছে অচল। টহলের জন্য পুলিশকে রিকুইজিশন করা আলফা মাহিন্দ্রা ও সিএনিজচালিত অটোরিকশার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে অপরাধ দমনে হিমশিম খাচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী এ বাহিনী।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালে সিটি করপোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ড ও একটি উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন এবং বাবুগঞ্জ উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। যানবাহন বলতে আছে ১২টি জিপ, ২৭টি ডাবল কেবিন পিকআপ, নয়টি টহল গাড়ি, চারটি ট্রাক, দুটি বাস, একটি রেকার ও অ্যাম্বুলেন্সসহ ৫৭টি চার চাকার যানবাহন। এছাড়া রয়েছে ৭৮টি মোটরসাইকেল। মেট্রোপলিটন চারটি থানা, চারটি ফাঁড়ি ও একটি ক্যাম্পের জন্য থ্রি হুইলার ভাড়া করে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেক সময় আসামি নিয়ে হেঁটে থানায় আসতে হয়।

এ ব্যাপারে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার জিহাদুল কবির বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের যানবাহন চাহিদা ও প্রাপ্তির মধ্যে বড় ঘাটতি রয়েছে। চার থানায় গাড়ি রয়েছে নয়টি। অথচ শুধু টহল দিতেই দরকার ২০টি। এখন অপরাধ ও অপরাধীর ধরন বদলেছে। অপরাধ দমনে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন ব্যক্তিমালিকানাধীন ২৫টি মাহিন্দ্রা অথবা সিএএনজি অটোরিকশা তেল খরচের বিনিময়ে টহলে ব্যবহার করা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সমস্যার কথা বলেছি। আশা করি শিগগিরই সমাধান হবে। তার পরও সরকারের সীমাবদ্ধতা তো আছেই। সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই আমরা নগরবাসীকে শতভাগ সেবা দিয়ে আসছি।’