নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় পৈতৃক ভিটায় সারা দিন সময় কাটালেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ। ঢাকা থেকে সড়কপথে গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি লোহাগড়া সেনাক্যাম্পে পৌঁছান। পরে তিনি এলাকার দুই বিদ্যালয় পরিদর্শন করে মোট ৩৫ লাখ টাকা অনুদান দেয়ার ঘোষণা দেন।
লোহাগড়া সেনাক্যাম্প থেকে সেনাপ্রধান প্রথমে করফা গ্রামে তার পৈতৃক ভিটায় যান। সেখানে বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক শেখ মো. রোকনউদ্দীন আহমেদের নামে নির্মিতব্য ১০ শয্যার মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র পরিদর্শন এবং কাজের অগ্রগতির খোঁজখবর নেন। পরে লোহাগড়ার মধুমতি সেনাক্যাম্পে তিনি পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
পাশের মল্লিকপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান সেনাপ্রধান। ওই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন সেনাপ্রধানের বাবা রোকনউদ্দীন আহমেদ। সেখানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও এলাকার শত শত মানুষ উপস্থিত ছিলেন। মঞ্চে এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মাহবুবুর রশীদ, মেজর জেনারেল এ কে এম রেজাউল মজিদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, সেনাপ্রধানের বড় ভাই এসএম রফিউদ্দিন আহমেদ, বোন রুনু ইকবাল, বিদ্যালয়ের সভাপতি এসএম মহাসীন আহমেদ, প্রধান শিক্ষক শিপ্রা রানী বিশ্বাস প্রমুখ।
সেনাপ্রধান ওই বিদ্যালয়ের জন্য ২০ লাখ টাকা অনুদান ও বিদ্যালয়ের ১০ মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের সব ব্যয়ভার বহনের ঘোষণা দেন। এরপর সেনাপ্রধান লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় ও লোহাগড়া সরকারি আদর্শ মহাবিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ে ১৫ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা দেন। সেখানে একটি স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেন। লোহাগড়া সরকারি আদর্শ বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সেনাপ্রধান। পরে সেনাপ্রধান মধুমতি রেলওয়ে সেতুর কাজের অগ্রগতি দেখেন এবং কালনা এলাকায় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করেন ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।










