চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৯২ হাজার ৫৯৫। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৫৩ হাজার ৩১৬। একই সঙ্গে গত তিন বছরের মত এবারও এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ও পাসের হারে ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে মেয়েরা।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বকশি বাজারে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন। গত তিন বছর ও চলতি বছরের ফলাফল পর্যালোচনা করে এ চিত্র দেখা গেছে।

পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায়, এ বছর ছাত্রের চেয়ে ছাত্রীরা ৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি পাস করেছে এবং ১৫ হাজার ৯৫৫ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর আগে ২০২১ সালে ১ লাখ ৮৯ হাজার ১৬৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল। এদের মধ্যে ১ লাখ ২ হাজার ৪০৬ মেয়ে এবং ৮৬ হাজার ৭৬৩ ছেলে। ২০২২ মোট জিপিএ-৫ কিছুটা কমেছে। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ২৮২। এরমধ্যে মেয়ে শিক্ষার্থী ৯৫ হাজার ৭২১ আর ছেলে ৮০ হাজার ৫৬১ ছেলে। ২০২৩ সালে ২০২২ সালের তুলনায় জিপিএ-৫ আরো কমেছে। ওই বছর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯২ হাজার ৫৯৫। সেখানেও নারী শিক্ষার্থীরা ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে যাওয়ার ধারা অব্যাহত রেখেছে। ২০২৩ সালে ৪৯ হাজার ৩৬৫ নারী ও ৪৩ হাজার ২৩০ ছেলে জিপিএ-৫ পেয়েছে।

মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৯৩.৪০, জিপিএ-৫ পেলেন ৯৬১৩ জন। মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৯৩.৪০, জিপিএ-৫ পেলেন ৯৬১৩ জন

চলতি বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের দুই হাজার ৬৯৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৩ লাখ ৩১ হাজার ৫৮ জন। সেখানে পাস করেছে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৩০৯ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ লাখ ৩ হাজার ৫৯৫ জন এবং মেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ লাখ ৩১ হাজার ৭১৪ জন। এছাড়া ১১টি শিক্ষাবোর্ডে মোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে, মোট ৮০ হাজার ৯৩৩ জন মেয়ে শিক্ষার্থী ও ৬৪ হাজার ৯৭৮ জন ছেলে শিক্ষার্থী।