পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি বলেছেন, ‘বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যেসব সংকট বাড়ছে তার অন্যতম সুপেয় ও ব্যবহারযোগ্য পানি। জলবায়ুর পরিবর্তন শুধু প্রাকৃতিক কারণেই নয়, এর মধ্যে মানবসৃষ্ট কারণও শামিল। ব্যক্তি পর্যায় হতে বৈশ্বিক পর্যায়ে শান্তি-সম্প্রীতি স্থাপনের এক অনন্য হাতিয়ার পানি। ভূ-উপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানির গুণগত মান বজায় রাখা, জলাধারের পানিপ্রবাহ অটুট রাখা, পানির বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবহার ও সামাজিকভাবে পানি সংরক্ষণ এবং পানির অপচয় রোধে সচেতনতার প্রসার সামগ্রিকভাবে বৈশ্বিক-আঞ্চলিক-জাতীয় উন্নয়ন কার্যক্রমকে ত্বরান্বিতকরণে ভূমিকা রাখবে।’
গতকাল রাজধানীর পানি ভবনের হলরুমে ‘বিশ্ব পানি দিবস-২০২৪’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘ওয়াটার ফর পিস’ অর্থাৎ ‘শান্তির জন্য পানি’ প্রতিপাদ্যের আলোকে দিবসের শুরুতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা পানি ভবন থেকে সার্ক ফোয়ারা প্রদক্ষিণ করে। আলোচনা শেষে অনলাইন স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের গৃহীত এক প্রস্তাব অনুযায়ী প্রতি বছর ২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস পালন করা হয়। ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিওতে এ প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। সেখানে পানিসম্পদের জন্য একটি বিশেষ দিন ঘোষণার দাবি তোলা হয়। ১৯৯৩ সালে প্রথম বিশ্ব পানি দিবস পালিত হয় এবং এর পর থেকে এ দিবস পালনের গুরুত্ব ক্রমে বৃদ্ধি পেতে থাকে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী দিনের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে পানিসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও পানি সংবেদনশীল টেকসই উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। স্মার্ট বাংলাদেশে স্মার্ট পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সবাইকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ সচিব নাজমুল আহসান সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্য করেন বাপাউবোর মহাপরিচালক মুহাম্মদ আমিরুল হক ভূঞা। আলোচনা করেন পানিসম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার মহাপরিচালক মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী ও সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইএস) নির্বাহী পরিচালক মালিক ফিদা আবদুল্লাহ খান। দিবসের প্রতিপাদ্যের ওপর আলোচনা করেন ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংয়ের (আইডব্লিউএম) নির্বাহী পরিচালক মো. জহিরুল হক খান।










