গতকাল বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। এ সময় বিকট শব্দ শোনা যায় এবং আকাশে সাদা ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়।

সাভারের ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) ইমরান হোসেন বলেন, সকাল ৮টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেয়া হয়। ইউনিটের সদস্যরা এসে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সাধাপুর গোপের বাড়ি লালটেক ঘোড়া মসজিদের মাঠে একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রাম দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। ড্রামের ভেতরে কালো স্কচটেপে মোড়ানো একটি প্রেসার কুকার ছিল। পরে স্থানীয় লোকজন সেটি ড্রাম থেকে বের করে মসজিদের মাঠে রেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে গতকাল সকাল ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। প্রেসার কুকারটি দেখে সন্দেহ হওয়ায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেয়া হয়। বেলা পৌনে ২টার দিকে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেন। তারা চারপাশে নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করে বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করার কাজ শুরু করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। বোমাসদৃশ বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করার সময় বিকট শব্দ হয়। এ সময় ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমিন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আমাদের অনেক আগেই ওই জায়গা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া হয়েছিল। অনেকক্ষণ অপেক্ষার পর বোমা নিষ্ক্রিয় করার সময় বিকট শব্দ শুনি। পরে আকাশে ধোঁয়া উড়তে দেখি। আমরা খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানাই।’

এর আগে মঙ্গলবার সাভারের দক্ষিণ শ্যামনগরে বিস্ফোরক নিয়ে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে একটি বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশের বিশেষায়িত দল। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সেখান থেকে নয়টি পাইপ বোমা, পাঁচটি ককটেল ও হাতবোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরিফ হোসেন (২৮) নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।