নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এবার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে মির্জা কাদের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। গতকাল সকালে বসুরহাট পৌর শহরের ইসলামী ব্যাংকের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

বাদল সমর্থিতরা জানান, গতকাল সকালে মেয়র কাদের মির্জা তার ৩০-৩৫ জন অনুসারী নিয়ে বসুরহাট বাজারে মহড়া দিচ্ছিলেন। এ সময় বাদল ও সাবেক ছাত্রনেতা হাসিব আহসান আলাল ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। তারা ইসলামী ব্যাংকের সামনে দাঁড়ালে কাদের মির্জার অনুসারীরা বাদল ও আলালের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাদলের ব্যক্তিগত গাড়িটিও ভাংচুর করে।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বাদল সমর্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গাছের গুঁড়ি ফেলে ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে সড়ক অবরোধ করে। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার টেকের বাজার এলাকায় সড়ক অবরোধ করলে পুুলিশ বাধা দেয়। এ সময় অবরোধকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে পুলিশের দুজন সদস্যও রয়েছেন।

পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন জানান, অবরোধকারীরা পুলিশের ওপর হামলা করে। তখন পুলিশ ২০-২৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। এ ব্যাপারে কাদের মির্জার মন্তব্যের জন্য তার মোবাইল ফোন কল দিলে অন্য একজন পরিচয় না দিয়ে জানান, তিনি বিশ্রামে আছেন। কথা বলতে পারবেন না।