প্রধানমন্ত্রী বিশেষ সহকারী ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারকে সংবর্ধনা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অরাজনৈতিক সংগঠন ‘সেভ বাংলাদেশ’।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে গতকাল ড. হায়দার সংগঠনটির ভূমিকার প্রশংসা করেন। বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে তাদের অবস্থানকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘সেভ বাংলাদেশ’ প্রবাসীদের কণ্ঠস্বর জোরালোভাবে তুলে ধরার একটি প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। সংগঠনটি বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন প্রতিবাদমূলক আন্দোলনকে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে সমর্থন দিয়েছে।

ড. হায়দার প্রবাসী বাংলাদেশীদের দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় আরো সক্রিয়ভাবে যুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে স্বাস্থ্যখাতে প্রবাসীদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও বিনিয়োগ কাজে লাগানোর সম্ভাবনার কথা তিনি উল্লেখ করেন।

তার মতে, ‘প্রবাসে অর্জিত উচ্চতর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো এখন সময়ের দাবি।’

তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করেন এবং এ খাতে আস্থা বৃদ্ধির জন্য নীতিগত ও কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। ড. হায়দার বলেন, ভবিষ্যতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার এমন নীতিমালা ও সংস্কার বাস্তবায়ন করবে, যাতে প্রবাসীরা নির্বিঘ্নে বিনিয়োগ ও ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন এবং অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমে আসে।

এসময় বর্তমান সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠনের নেতা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাহিদ খান ও সঞ্চালনা করেন কামরুন নাহার কণা। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তজা। বিশেষ বক্তা ছিলেন নয়ন বাঙালী।

বক্তারা ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের নতুন দায়িত্ব পালনে সফলতা কামনা করেন এবং তার নেতৃত্বে প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটি ও দেশের মধ্যে আরো শক্তিশালী সংযোগ গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

ড. হায়দার ১৬ বছরেরও বেশি সময় বিশ্বব্যাংকে কর্মরত ছিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্সে বসবাস করেছেন। ওই সময় বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে। পরে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশীদের একটি অংশকে সংগঠিত করে ‘সেভ বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন। ভার্জিনিয়া, ওয়াশিংটন ডিসি ও মেরিল্যান্ডভিত্তিক সংগঠনটি অরাজনৈতিক ও স্বৈরাচারবিরোধী প্লাটফর্ম হিসেবে পরিচিত।— বিজ্ঞপ্তি