গতকাল যশোর সেনানিবাস থেকে আসা ১৯ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল অভিযান চালিয়ে এসব বিস্ফোরক উদ্ধার করে।
পুলিশ ও বিজিবি দুইদিন ধরে ঘটনাস্থল ঘিরে রাখার পর সেনাবাহিনীর মেজর তরিকুল ইসলামের নেতৃেত্ব ৯৬ মাইন উদ্ধার করে। এর মধ্যে ৭৯টি মানববিধ্বংসী ও ১৭টি ট্যাংকবিধ্বংসী মাইন ছিল। বিস্ফোরকগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে নিরাপদ স্থানে নিয়ে ধ্বংস করা হয়।
এর আগে শনিবার কৃষক কালু মালিথা জমিতে কাজ করার সময় মাটির নিচে বিস্ফোরকসদৃশ বস্তু দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ও বিজিবি ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে।
একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক ল্যান্ডমাইন উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এসব বিস্ফোরক কীভাবে জমিতে এল এবং আশপাশে আরো মাইন রয়েছে কিনা, তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পুরো এলাকায় আরো তল্লাশির দাবি জানিয়েছেন তারা।
গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) শিমুল কুমার দাস বলেন, ‘ঘটনাস্থল এখনো নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে রাখা হয়েছে। নতুন কোনো বিস্ফোরক রয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত হতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এলাকাটি পর্যবেক্ষণ করছে।’










