দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে গত আট-নয় দিনে তিন শতাধিক মানুষকে বাংলাদেশে ‘পুশ-ইন’ করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। বিজিবি, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পুশ-ইন করা অর্থাৎ জোর করে ঠেলে দেয়া এসব মানুষের মধ্যে বাংলাদেশীর পাশাপাশি রোহিঙ্গা ও ভারতীয় নাগরিকও রয়েছেন। এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে দিল্লিকে কূটনৈতিক পত্র দিয়েছে ঢাকা। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর সীমান্ত দিয়ে ৭৫০ জনকে পুশ-ইন করার চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও স্থানীয় জনতার প্রতিরোধের মুখে পিছু হটে বিএসএফ।
স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের তথ্য বলছে, বিভিন্ন সময়ে ভারতের ত্রিপুরায় আটক ৬০০ জনের বেশি ও সম্প্রতি রাজস্থানে আটক ১৪৮ জনকে পুশ-ইনের সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। আটকদের মধ্যে বেশির ভাগ বাংলাদেশী। কয়েকজন রোহিঙ্গাও রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের সীমান্ত দিয়ে ৭৫০ জনকে পুশ-ইন করতে জড়ো হয় বিএসএফ। খবর পেয়ে সতর্ক অবস্থান নেয় বিজিবি। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় স্থানীয় লোকজন। একপর্যায়ে পিছু হটে বিএসএফ।
এ ব্যাপারে বিজিবি ২৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল জাব্বার আহাম্মেদ জানান, বিএসএফ পুশ-ইন করবে—এমন খবর তারা পেয়েছিলেন। এ অবস্থায় বিজিবি সতর্ক অবস্থান নেয়। পাশাপাশি স্থানীয় জনতাও সীমান্তে জড়ো হয়।
বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাধনা ত্রিপুরা জানান, সীমান্তের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। স্থানীয় জনতা বিজিবির সঙ্গে থেকে পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করেছে। এখনো সতর্ক অবস্থানে আছেন সবাই।










