ভোটারের তথ্যে গরমিল, সেবা সংস্থার বিল বকেয়া ও আয়কর রিটার্ন দাখিল না করায় চট্টগ্রামে দুটি আসনের ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এরই মধ্যে পাঁচ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় ও জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে মনোনয়ন যাচাই বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে এসব প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
এদিন জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম ৭, ১২ ও ১৪ আসনের
মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই করা হয়।
এর মধ্যে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে চার প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা
হয়। এর মধ্যে ১ শতাংশ ভোটারের তথ্যে গরমিলের অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইলিয়াস মিয়া
ও গোলাম কিবরিয়া চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এম
এ মতিনের বিদ্যুৎ বিল বাকি থাকায় এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ জয়নুল
আবেদীন আয়কর রিটার্ন দাখিল না করায় মনোনয়ন বাতিল হয়। এছাড়া চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া)
ও চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনের দুই প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়।
চট্টগ্রাম-১২ আসনে চারজনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর, পাহাড়তলী,
ডবলমুরিং, খুলশী) আসনেরও চারজনের মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়েছে।
বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে চট্টগ্রাম-১০
আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও নগর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ফরিদ মাহমুদের মনোনয়নপত্র
বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এক শতাংশ ভোটারের নাম ও
স্বাক্ষর জমা দিতে হয় মনোনয়নপত্রের সঙ্গে। এর মধ্যে দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে ১০ জন ভোটার
যাচাই করা হয়। সেখানে তিনজনকে শনাক্ত করা যায়নি বলে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ওসমান গনি ও ফয়সাল আমীন এবং বিএনএফের মঞ্জুরুল ইসলামের মনোনয়নপত্রও
বাতিল করা হয়।










