উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর বেসিনে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় উল্লেখ করার মতো বৃষ্টিপাত হয়নি। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আজ সকাল ৯টার তথ্যানুযায়ী, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও হবিগঞ্জ জেলার কয়েকটি নদী এখনো প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে অনেক জায়গায় পানির স্তর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে।
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর এলাকায় নলজুর নদীর পানি ১ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৫২ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে।
নেত্রকোনা জেলায় খালিয়াজুরি এলাকায় ধনু-বাউলাই নদীর পানি ৩ সেন্টিমিটার কমে এখন ৭ সেন্টিমিটার ওপরে আছে। কলমাকান্দায় সোমেশ্বরী নদীর পানি ৬ সেন্টিমিটার বেড়ে ৩৬ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। জারিয়াজঞ্জাইল এলাকায় ভুগাই-কংস নদীর পানি ৩০ সেন্টিমিটার বেড়ে ৬২ সেন্টিমিটার ওপরে অবস্থান করছে। অন্যদিকে নেত্রকোনা এলাকায় মগরা নদীর পানি ৬ সেন্টিমিটার কমে ৭৯ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে, এবং আটপারা এলাকায় একই নদীর পানি ৩ সেন্টিমিটার কমে ১০ সেন্টিমিটার ওপরে নেমেছে।
হবিগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জ এলাকায় কালনি নদীর পানি ১৬ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে অবস্থান করছে। সুতাং রেল-ব্রিজ এলাকায় সুতাং নদীর পানি ২০ সেন্টিমিটার কমে ৩৫ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে নদীগুলোর পানি ঘন্টায় শূন্য থেকে ১ সেন্টিমিটার হারে ধীরে ধীরে কমছে, যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এদিকে ভারতের আবহাওয়া বুলেটিন অনুযায়ী, মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জি এলাকায় উল্লেখযোগ্য কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়নি। ফলে উজান থেকে নতুন করে বড় ধরনের পানির চাপ আসার সম্ভাবনা আপাতত কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।










