টানা তিন দিনের ছুটির কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বেড়েছে গাড়ির চাপ। এতে সানারপাড় থেকে লাঙ্গলবন্দ পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। টানা ছুটিতে গাড়ির চাপ ও দূর্ঘটনাকবলিত গাড়ি সরিয়ে নিতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে এ যানজট তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাইওয়ে পুলিশ। যাত্রীরা বলছেন, ১৫ মিনিটের পথ পার হতে তাদের সময় লাগছে দেড় ঘণ্টার বেশী। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন তারা । আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বন্দরের লাঙ্গলবন্দ থেকে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড অংশে তীব্র যানজটের ফলে অনেকে গন্তব্যস্থলে না গিয়ে বাসায় ফিরছেন। অনেক যাত্রীকে বাসের জন্য দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেও দেখা গেছে। এছাড়া গাড়িতে যানজটের সুযোগে বাড়তি ভাড়া আদায়েরও অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চিটাগাংরোড থেকে কুমিল্লার ২০০ টাকার ভাড়া ২৫০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে। এছাড়া চিটাগাংরোড থেকে চট্টগ্রামের ভাড়া নন এসি গাড়িতে ৪৫০ টাকার পরিবর্তে ৫৫০ টাকা এবং এসি গাড়িতে ৮০০ টাকার ভাড়া ১০০০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে।
বাস কাউন্টার কর্তৃপক্ষ বেশী ভাড়া নেওয়ার কথা স্বীকার করে তারা জানান, তীব্র যানজটের কারণে তাদের গাড়ি সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে সময় লেগে যাচ্ছে। ফলে বেশি ভাড়া নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
সৈকত নামের এক যাত্রী জানান, সাইনবোর্ডের ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে টিপুদির থেকে তিনি সকাল ৮ টায় রওনা হয়েছেন। এক ঘণ্টায় তিনি মাত্র মদনপুর পর্যন্ত আসতে পেরেছেন। জাকির হোসেন নামের এক প্রাইভেটকার চালক জানান, যানজটে তিনি সকাল থেকে বসে ছিলেন । ১৫ মিনিটের পথ তিনি দেড় ঘণ্টায়ও পার হতে পারেননি।
তীব্র যানজটের বিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি সাজ্জাদ করিম খান বলেন, রাতে মদনপুরে একটি সড়ক দুর্ঘটনা হয়। এতে করে কিছু সময় গাড়ি চলাচল বন্ধ ছিল। এছাড়া টানা তিন দিনের ছুটি থাকায় মহাসড়কে গাড়ির বাড়তি চাপ রয়েছে। তবে দুপুরের আগেই যানজট কমে আসবে বলে আশা করেন তিনি। যানজট নিরসনে পুলিশের টিম কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান ওসি।










