বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে দ্রুত যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের তাগিদ দিয়েছেন দুবাই ও উত্তর আমিরাতে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামান। এ বিষয়ে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এ সময় বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

কনসাল জেনারেল বলেন, দুই দেশের মধ্যে যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাবটি অনেক আগে থেকেই আলোচনায় রয়েছে। তবে বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে এবং যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনে নতুন করে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠিত হলে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়বে। একই সঙ্গে ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত নিরসন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। কাউন্সিল গঠনে এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন প্রশাসক মো. ফজলুল হক।

বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ববাজারে হালাল পণ্যের বাজারে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার ও রফতানি সম্প্রসারণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। মুসলিম দেশগুলোতে বাংলাদেশি হালাল পণ্য রফতানিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের সহযোগিতা চান এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক। এ বিষয়ে দুই পক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে।

বৈঠকে দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের বাণিজ্য কাউন্সিলর আশিষ কুমার সরকার উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, তৈরি পোশাক রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর উদ্যোগে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া তৈরি পোশাক মেলায় অংশ নিতে দুবাইয়ের একাধিক শীর্ষ প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে আগ্রহ জানিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলায় আমন্ত্রণ জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।

এদিকে আজ বুধবার এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দুবাইয়ের শীর্ষ বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা। এ সময় মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশী পণ্যের রফতানি বাড়ানো এবং নতুন বাণিজ্যের সুযোগ তৈরির বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।