সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ছোট ভাই ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে গতকাল বিকালে জেলা কমিটি দল থেকে অব্যাহতি দিয়ে কেন্দ্রে বহিষ্কারের সুপারিশ পাঠালেও সন্ধ্যায় তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ এএইচএম খায়রুল আনম সেলিম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এবং যেহেতু বিষয়টি আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দপ্তরে বিবেচনাধীন, তাই এ সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এর আগে বিকালে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ থেকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করার জন্য সুপারিশসহ একটি চিঠি কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
জেলা আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির সভাপতি এএইচএম খাইরুল আনম চৌধুরী সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সুপারিশ করা হয়।
ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বিগত কয়েক সপ্তাহ থেকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা দলীয় নেতা ও কর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে গুরুতরভাবে আহত করায় এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সম্পর্কে মিথ্যা, অশালীন বক্তব্য ও আপত্তিজনক উক্তি বিভিন্ন সভা-সমাবেশে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে সংগঠনবিরোধী অশোভনীয় মন্তব্য ও নেতা-কর্মীদের হুমকি প্রদান করার অভিযোগে আবদুল কাদের মির্জাকে সংগঠনের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে বসুরহাট পৌর নির্বাচনের প্রচারণায় নেমে জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদেরসহ বেশকিছু ইস্যুতে একের পর এক সমালোচনা করে আলোচনায় আসেন আবদুল কাদের মির্জা। তার সেই রাজনৈতিক বক্তব্যের বেশির ভাগই জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় কিছু নেতার কর্মকাণ্ড নিয়ে হওয়ায় নোয়াখালীসহ সারা দেশে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।










