জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে যোগ দিতে বিএনপির আদর্শিক কোনো সমস্যা আছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘আমরা মনে করি, সবাই দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দল। আমরা বিশ্বাস করি, গণতন্ত্রে, দেশের উন্নয়নে। তবে সব ব্যাপারে একমত হলে তো এক দল করতাম। তাহলে আলাদা দল থাকতাম না।‘
আজ রোববার নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপি প্রতিবিধি দলের ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি। প্রতিনিধি দলে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ ও দলটির নির্বাচন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব মোহাম্মদ জকরিয়া উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশ রয়েছে ৩ জানুয়ারি। এতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো বিষয় রয়েছে কিনা এবং এ বিষয়ে ইসির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে কিনা জানতে চান সাংবাদিকরা। এ নিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘এ নিয়ে কোনো আলোচনা করিনি। আমার জানা মতে, নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ, কিন্তু সাংগঠনিক কাযক্রম বন্ধ নেই। উনারা যা করবেন সেটা আচরণবিধির ভঙ্গ হয় কিনা এটা ইসি বুঝবে আর তারা বুঝবে।‘
বিএনপি প্রার্থী বদল করছে ডজনখানেক আসনে। শরিক দলগুলোর সঙ্গে আসন সমঝোতা হয়ে গেঝে কিনা— এমন প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘শরিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে অনেক কিছু। তারপর এখনো সময় আছে।‘
এনসিপির সঙ্গে জামায়াতের জোটবদ্ধ হওয়ার প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন. ‘বিএনপি একটা গণতান্ত্রিক দল। বিএনপি সব রাজনৈতিক দলের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার স্বীকার করে। যদি কোনো দল তার ঘোষিত আদর্শ অনুযায়ী অন্য কোনো দলের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে চায় সে অধিকার তাদের আছে। অবশ্য, আমরা এটাও দেখলাম, তাদের (এনসিপি) ভাবনার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে তাদের অনেক নেতৃবৃন্দ দল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন।‘
দলছুটরা বিএনপির সঙ্গে আলোচনা করছে কিনা— এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না। এটা দলের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।‘















