সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। এতে এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকায়।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম কমানো হয়েছে। গতকাল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে এ দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি জানানো হয়। এরপর এদিন সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।
এর আগে ২৫ মার্চ ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম কমানো হয় ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। তার আগে আরো পাঁচ দফা স্বর্ণের দাম কমানো হয়। এতে টানা সাত দফায় ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম কমল ৩৫ হাজার ৫৭৫ টাকা।
এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণে ৬ হাজার ২৯৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণে ৫ হাজার ৩৬৬ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৩ টাকা।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণে ৫ হাজার ১৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণে ৪ হাজার ৪৯০ টাকা কমিয়ে দাম ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণে ৩ হাজার ৬১৬ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৬০ হাজার ৯০৫ টাকা।
তবে স্বর্ণের দাম কমানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।










