ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মল্লিকবাড়ী গ্রামে অবস্থিত মল্লিকবাড়ী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসাটিতে ঝুঁকি নিয়ে চালানো হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। মাটির দেয়াল বেষ্টিত টিনশেড ঘরটি যেকোনো সময় ধসে পড়ার আশঙ্কা করছে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মল্লিকবাড়ী গ্রামে ১৯৭২ সালে স্থানীয় বাসিন্দা হাফেজ মাওলানা কমর উদ্দিনের প্রচেষ্টায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ছনের চালাঘরে চলে মাদ্রাসার কার্যক্রম। পরে ঘরটি পর্যায়ক্রমে কাঁচা মাটির দেয়াল ও টিনশেডে উন্নীত হয়। অদ্যাবধি শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম চলছে ওই মাটির ঘরে। করোনা মহামারীর কারণে দীর্ঘ বিরতির পর সম্প্রতি মাটির তৈরি মাদ্রাসা ঘরে আবারো পাঠদান শুরু হয়েছে। তবে মাটির দেয়ালের প্রলেপ খসে গিয়ে ফাটল ধরায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পরিণত হয়েছে মাদ্রাসাটি।

মাদ্রাসার সুপার আতাউল গনি মাইনুদ্দিন বলেন, মাদ্রাসা ঘরটি সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। তাছাড়া মাটির ঘরের কক্ষগুলোর দেয়াল পুরনো হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরে খসে পড়ছে। দরজা-জানালা ভাঙাচোরা হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। বিষয়টি আমি লিখিতভাবে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েছি। আশা করছি বিষয়টি জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলের নজরে আসবে।

মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি জসিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন সমস্যার কথা স্থানীয় সংসদ সদস্যকে জানিয়েছি। তিনি জানিয়েছেন, বন্যার্ত মানুষের আশ্রয়ণ কেন্দ্র হিসেবে চারতলা একটি ভবন সেখানে করা হবে। পাশাপাশি ওই ভবনেই মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম চালানো হবে। তবে কবে নাগাদ এর কাজ শুরু হবে সেটি বলতে পারছি না।