গতকাল চাঁদপুরে মাসিক সমন্বয় ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ কথা জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘অনুমতি ছাড়া কেউ অন্য পেশায় যুক্ত থাকলে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হবে এবং ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকতা একটি দায়িত্বশীল ও পূর্ণকালীন পেশা। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের শ্রেণীকক্ষে পূর্ণ মনোযোগ দিতে হবে। শিক্ষকতার বাইরে অন্য কোনো পেশায় যুক্ত হতে হলে অবশ্যই নিয়ম মেনে অনুমতি নিতে হবে। নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

শিক্ষা খাত নিয়ে অনেক পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সরকার দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দেয়নি, যার প্রভাব এখনো শিক্ষা ব্যবস্থায় রয়েছে। শিক্ষা খাতে কিছু নির্ধারিত নিয়মকানুন রয়েছে। আমাকে দুই-চার মাস সময় দিন, এরপর পরিবর্তন দেখতে পাবেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘মন্ত্রীর দায়িত্ব শুধু ভবন নির্মাণ করে শ্রেণীকক্ষ খালি রাখা নয়। যেখানে যা প্রয়োজন, সেটিই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হবে। শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মানোন্নয়ন, শূন্য পদ পূরণ এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য।’

এক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যম সচেতন ও নিষ্ঠার সঙ্গে যেসব প্রতিবেদন প্রকাশ করবে, আমরা তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করব। সাংবাদিকরা আপনাদের কাজ আরো ত্বরান্বিত করুন। কারো দায়িত্বে অবহেলা জনসম্মুখে এলে সেটি আমাদের নজরে আসবে এবং আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’