গোপালগঞ্জে এনসিপির কর্মসূচি ঘিরে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত চারজনের দাফন ও সৎকার সম্পন্ন হয়েছে। তবে তাদের কারো সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত হয়নি।
বুধবার (১৬ জুলাই) রাতে পৌর শ্মশানে পোশাক ব্যবসায়ী দীপ্ত সাহার সৎকার করা হয়। একই দিন এশার নামাজের পর দাফন করা হয় টাইলস মিস্ত্রির সহকারী রমজান কাজীকে। আর মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী সোহেল রানা ও ক্রোকারিজ দোকানের কর্মচারী ইমন তালুকদারকে বৃহস্পতিবার সকালে পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে দিনভর হামলা-সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনায় বুধবার রণক্ষেত্রে পরিণত হয় গোপালগঞ্জ শহরের পৌর পার্ক ও লঞ্চঘাট এলাকা। সংঘর্ষে নিহত হন চারজন। ৯ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন শতাধিক। হামলাকারীরা শহরের বিভিন্ন স্থাপনা ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর চালায়। এ সময় তাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে।
নিহতরা হলেন- গোপালগঞ্জ শহরের কোটালীপাড়ার হরিণাহাটি গ্রামের কামরুল কাজীর ছেলে রমজান কাজী (১৯), শানাপাড়ার সোহেল রানা (৩৫), উদয়ন রোডের সন্তোষ সাহার ছেলে দীপ্ত সাহা (৩০) ও সদর উপজেলার ভেড়ার বাজার এলাকার ইমন তালুকদার (২৪)।










