বাজারে ডিমের সরবরাহ নেই। এমন পরিস্থিতিতে ডিমের বাজার অস্থির হয়েছে। দৈনিক সাড়ে চার থেকে পাঁচ কোটি ডিম প্রয়োজন। এখন ডিম উৎপাদন হচ্ছে সাড়ে তিন কোটি পিস।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর কারওয়ান বাজার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

উপদেষ্টা বলেন, বাজার মনিটর করা এক জিনিস। আর উৎপাদন, সাপ্লাই যদি কম থাকে, যতই উৎপাদন করেন তাদের ঘাড় ভেঙে তো আপনি এসব করতে পারবেন না। আমরা গ্যাপটা কমানোর চেষ্টা করছি। টাস্কফোর্স বা বাজার মনিটর করার কারণ হলো উৎপাদন খরচ আর ভোক্তার মধ্যে যেন গ্যাপটা কম থাকে। আমি একটা উদাহরণ দিয়েছি, একশ টাকা যদি লাগে একটা জিনিস তৈরি করতে, এটা যদি পাইকারিতে এসে একশ দশ বিশ টাকা বিক্রি করে এটা যৌক্তিক। কিন্তু পাইকার যদি এটা ১৪০ টাকা বিক্রি করে আবার রিটেইল যদি বিক্রি করে ১৬০ টাকা সেটা তো যৌক্তিক না।

বাজারে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দরের প্রশ্নে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, সাপ্লাই নেই। ডিম দরকার সাড়ে চার কোটি, পাঁচ কোটি। এখন সেটা হচ্ছে সাড়ে তিন কোটি। এখন আমি কি ডিম মেশিন দিয়ে তৈরি করব নাকি? ডিম খাওয়া বন্ধ করার পরামর্শ আমরা দেব না।

যারা বাজারে সিন্ডিকেট করছে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে উপদেষ্টা মন্তব্য করেন।