নকল বিড়ি উৎপাদন, বিক্রি ও কারখানা বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে মানববন্ধন এবং কাস্টমস অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে কুষ্টিয়া বিড়ি মালিক সমিতি ও বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়ন। গতকাল কুষ্টিয়া কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিসের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন বিড়ি মালিক সমিতি ও শ্রমিক নেতারা।
মানববন্ধন শেষে কুষ্টিয়া কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিসের উপকমিশনার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। দাবিগুলো হলো নকল বিড়ি ও নকল ব্যান্ডরোল যুক্ত বিড়ি বন্ধ, শুল্ক ফাঁকি দেয়া অবৈধ বিড়ি কারখানা বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ, বিড়ির ওপর অর্পিত অগ্রিম ১০ শতাংশ আয়কর প্রত্যাহার, অনলাইনে লাইসেন্স দেয়া বিড়ি মালিকদের থেকে রাজস্ব আহরণে যথাযথ ব্যবস্থা, শ্রমিকদের সপ্তাহে ছয়দিন কাজের নিশ্চয়তা এবং তামাকজাত দ্রব্য বিক্রির ক্ষেত্রে প্রান্তিক ব্যবসায়ী ও দোকানিদের পরিবর্তে শুধু ডিলারদের লাইসেন্সের আওতায় আনা।
বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক হারিক হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সহসভাপতি নাজিম উদ্দিন। বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এম কে বাঙ্গালী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল গফুর, প্রচার সম্পাদক শামীম ইসলাম, কার্যকরী সদস্য আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কতিপয় অসাধু বিড়ি ব্যবসায়ী নকল ব্যান্ডরোল লাগিয়ে প্রতি প্যাকেট ১৮ টাকা মূল্যের বিড়ি ৮-১০ টাকায় বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে আর প্রকৃত রাজস্ব প্রদানকারী বিড়ি শিল্প মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ফলে তারা কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে শ্রমিকরা বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাই শুল্ক ফাঁকি দেয়া অবৈধ বিড়ি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ সময় বক্তারা নকল বিড়ি ও জাল ব্যান্ডরোল প্রতিরোধে সব পান বিড়ির দোকানে অভিযান পরিচালনার দাবি জানান।










