নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় থাকা মা-ছেলেসহ তিনজনের প্রাণহানি হয়েছে। এছাড়া দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। গতকাল এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মা মরিয়ম বেগমসহ আরো পাঁচ যাত্রী নিয়ে চৌমুহনী থেকে অটোরিকশায় জমিদারহাট যাচ্ছিলেন জসিম, উদ্দিন (৫৫)। বেগমগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দোকানঘর এলাকায় একটি বাস সামনে থেকে অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে চালক জসিম তার মা মরিয়ম বেগম এবং অন্য যাত্রী ছকিনা বেগম (৫২) ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত হয়েছেন আরো তিনজন। তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি রুহুল আমিন জানান, ঘটনাস্থল থেকে গাড়ি দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। যাত্রীবাহী বাসের চালক ঘটনার পর পালিয়ে গেছেন। নিহতের পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অন্যদিকে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বালিবাহী ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে মুনসুর আলী (৪৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। গতকাল বিকালে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের বাজিতপুর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মুনসুর আলী উপজেলার কালিয়া গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মতিহারা বাজার থেকে কারখানার কাজ শেষ করে মোটরসাইকেলে ভাদুরিয়া বাজারে আসছিলেন মুনসুর আলী। এ সময় দিনাজপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাক বাজিতপুর নামক স্থানে মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। পরে ট্রাকটি পাশের একটি পিকআপের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে পিকআপটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। আহত মুনসুর আলীকে স্থানীয়রা উদ্ধার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথেই মারা যান। নবাবগঞ্জ থানার ওসি তাওহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।