নারায়ণগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি কর্মীদের সংঘর্ষে রাজা আহমেদ শাওনের নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের বড় ভাই মিলন আহমেদ বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলাটি করেন। এতে অজ্ঞাতনামাদের আসামী করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আমির খসরু।
তিনি বলেন, শাওন কীভাবে মারা গেছে তা পুলিশ তদন্ত করছে। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রির্পোট হাতে পেলেই মুত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সংঘর্ষের ঘটনায় ২০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। ১৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও সরকারি সম্পদ ভাংচুর করার অভিযোগে আরো একটি মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে শাওন হত্যার দৃষ্টান্তমুলক বিচারে দাবি করেছেন তার মা ফরিদা বেগম।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি থেকে যাওয়ার সময় শাওন জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে চলে যায়। আমার ছেলেটাকে কীভাবে গুলি করে হত্যা করা হলো। আমার ছেলে তো কোন অপরাধ করেনি। জীবিত অবস্থায় ছেলে হত্যার বিচার দেখে যেতে চাই। এই একটাই দাবি করি সরকারের কাছে।
‘শাওন হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে’ উল্লেখ করে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ওসি আনিসুর রহমান জানান, পুলিশ গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে।
তিনি আরো বলেন, পুলিশের উপর হামলা ভাংচুরের অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে আসামীদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।










