ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার খনগাঁও ইউনিয়নে ভোট গণনার পর কারচুপির অভিযোগ ও ফলাফল নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে তিনজন নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

রোববার রাত ১০টার দিকে পীরগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর খনগাঁও ডিঘোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ঘিডোবপুর গ্রামের সাহাবলি আহম্মেদ (৩৫), মোজাহারুল ইসলাম (৪০) ও অবিনাশ চন্দ্রের ছেলে আদিত্য (২০)। ঘটনাস্থলেই একজন ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

আহতরা হলেন- উপজেলার ঘিডোর গ্রামের অবিলাশের ছেলে অমিত রায়, জহুরুলের ছেলে সবুজ আলী, তমিউদ্দীনের ছেলে সুজা আহম্মেদ, আব্দুল বাকির স্ত্রী রহিমা বেগম ও খনগাঁও গ্রামের তৈয়বুর রহমানের ছেলে রাব্বানী।তারা ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিংসাধীন আছেন। ২ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম চয়ন বলেন, গুলিবিদ্ধ চারজনের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে একজন ও ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর আরেকজনের মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার (এসপি) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যরা কোনোভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছিলেন না। তাদের ওপর হামলা করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি গুলি ছুড়তে বাধ্য হয়েছে। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হয়েছেন।