ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের পুকুরে ডুবে মারা গেছেন হলের এক আবাসিক শিক্ষার্থী। গতকাল বেলা ১টার দিকে হলের পুকুরে সাঁতার কাটতে নেমে মারা যান পলাশ আহমেদ নামের ওই শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পলাশের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আব্দুর রহিম। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, পলাশ পুকুরে গোসলে নেমে এপার থেকে ওপারে সাঁতার কেটে যাওয়ার সময় ডুবে যায়। পরে তার বন্ধু ও হলের শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে হলের খেলার মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীসহ হলের আবাসিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। জানাজা শেষে তার লাশ গ্রামের বাড়ি জামালপুরের উদ্দেশে নেয়া হয়।
পলাশের সহপাঠীরা জানান, ছাত্রলীগের মানববন্ধন থেকে ফিরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পলাশ তার বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নামে। হলের মেইন বিল্ডিংয়ের ঘাট থেকে সাঁতরে পুকুরের ওপাড়ে যাওয়ার সময় পাড়ের প্রায় কাছাকাছি গিয়ে হঠাৎ করে সে ডুবে যায়। ডুবতে দেখে আশপাশের শিক্ষার্থীরা তাকে বাঁচাতে ছুটে আসে। প্রায় ১০ মিনিটের মতো খোঁজার পর তাকে পাওয়া যায়। খুঁজে পাওয়ার পর তাকে পুকুর থেকে পাড়ে তুলতে প্রায় ৫ মিনিটের মতো সময় লাগে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছতে বিলম্ব হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বাইকে করে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা আইসিইউতে রাখার পর বেলা আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।










