নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১০ জন। গতকাল ভোর ৫টার দিকে আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শাহ আলম চৌধুরী ও বহিষ্কৃত সদস্য সচিব আব্দুল কাইয়ুম মিয়া গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত ইদন মিয়া (৫৫) মুরাদনগর গ্রামের বাসিন্দা। গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে নরসিংদী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে মোস্তাকিম (৩০) ও আবুল হোসেন (৬০) নামে দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভাজন তৈরি হয়। বিভাজন থেকেই গতকাল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শাহ আলম চৌধুরী ও বহিষ্কৃত সদস্য সচিব আব্দুল কাইয়ুম মিয়া বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। পাশাপাশি দলীয় কর্মসূচিও তারা পৃথকভাবে পালন করেন। এ বিরোধের জের ধরেই দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গুলিবিদ্ধ হয়ে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে ইদন মিয়া নামে একজন মারা গেছেন। আরো অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ফরিদা গুলশানারা কবীর। তিনি জানান, ইদন মিয়াকে বুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আনা হয়। ওই সময় তিনি মৃত ছিলেন। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার বলেন, ঘটনার বিস্তারিত জানতে কাজ করছে পুলিশ।
নরসিংদী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’










