রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বিতরণের সময়সীমা ৫ দিন বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনের তারিখও পেছাতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. এফ নজরুল ইসলাম। তবে কতদিন পেছাতে পারে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ নিয়ে আলোচনা চলছে এবং পরে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নির্বাচনের তারিখ পেছানোর খবর প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা তীব্র প্রতিবাদ জানায়। গতকাল বিকালে রাকসু কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের পর সাধারণ শিক্ষার্থী, সাবেক ছাত্র সমন্বয়ক, রাবি শাখা ছাত্রশিবির ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিক্ষোভ ও মিছিল করেন।
এজিএস পদপ্রার্থী ও সাবেক সমন্বয়ক আকিল বিন তালেব বলেন, ‘কোনো অযৌক্তিক কারণে রাকসু নির্বাচন পেছানো যায় না। কয়েক দিন আগেই মনোনয়ন তোলার তারিখ পেছানো হয়েছিল, আজ আবার তা করা হলো। কেন, কাদের স্বার্থে বা কোন দলকে সুবিধা দিতে এ তারিখ পরিবর্তন হচ্ছে—এর সঠিক জবাব না পাওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’
পদপ্রার্থী অনিক আহমেদ অভি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোনো পরামর্শ ছাড়াই নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আস্থা নষ্ট হয়েছে। আমরা চাই, তফসিল অনুযায়ী ১৫ সেপ্টেম্বরেই নির্বাচন হোক।’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচনের সিডিউল বারবার পরিবর্তন করা হচ্ছে। আগে ঘোষিত তফসিল এরই মধ্যে দুবার সংশোধন করা হয়েছে। এতে নির্বাচনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদি তারিখ বাড়ানো প্রয়োজন হতো, আগে জানানো যেত। শেষ সময়ে একদলকে সুবিধা দিতেই পাঁচ-ছয়দিন বাড়ানো হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. এফ নজরুল ইসলাম জানান, ‘মনোনয়নপত্র বিতরণের সময়সীমা ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আবাসিক হলের পরিবর্তে একাডেমিক ভবনে ভোটকেন্দ্র করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া ডপ টেস্ট নিয়েও কিছু জটিলতা রয়েছে, যা সময়সাপেক্ষ। সারা দিন মিটিং হয়েছে, তবে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। আগামীকাল মিটিং করে বিষয়টি জানানো হবে।’










