মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার তখোলপুর গ্রামে রমজান হোসেন রাজু (২২) নামে এক কলেজছাত্রকে প্রতিপক্ষের লোকজন কুপিয়ে হত্যা করেছে। সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাজু ওই গ্রামের আকতার হোসেনের ছেলে ও ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
শ্রীপুর থানার ওসি শুকদেব রায় জানান, শ্রীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমানের সঙ্গে স্থানীয় কালাম মাস্টারের দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় তখোলপুর দাখিল মাদ্রাসার কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে গত শনিবার রাতে তখোলপুর গ্রামের মকবুল মেম্বার ও সাবেক মেম্বার আব্দুর রউফের সমর্থকদের মাঝে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় মকুবল মেম্বারের সমর্থকরা আব্দুর রউফকে পিটিয়ে আহত করেন। রোববার দুপুরে আব্দুর রউফের সমর্থকরা মকবুল মেম্বারের সমর্থকদের বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাংচুর করেন।
সোমবার সন্ধ্যায় মকবুল মেম্বারের সমর্থক আকতার হোসেন জোয়ার্দার বাড়ির সামনের দোকানে বসেছিলেন। এ সময় আব্দুর রউফের সমর্থকরা আকতারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আকতার আত্মরক্ষার্থে দৌড়ে নিজ বাড়ির ভেতর প্রবেশ করলে হামলাকারীরা তার একমাত্র ছেলে রমজান হোসেন রাজুকে বাড়ির উঠানে কুপিয়ে আহত করে। স্থানীয়রা মারাত্মক আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সাচিলাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় তাকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে রাত সাড়ে ১১টার দিকে দৌলতদিয়ায় রাজু মারা যায়।
রাজুর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় ফারুক নামে একজনকে পুলিশ আটক করেছে।










