বর্তমান বিশ্বে জিনোম এডিটিং প্রযুক্তিতে ভিন্ন উৎস থেকে জিন গ্রহণ না করে একই জীবের জিনকে সংযোজন বা বিয়োজন করে নতুন ফসলের জাত উন্নয়নে জিনোমিক্স প্রযুক্তির গ্রহণযোগ্যতা বেশ সাড়া জাগিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কৃষি ক্ষেত্রে জীব প্রযুক্তির কৌশলের মাধ্যমে এর ব্যবহার শুরু হলেও এ ধরনের গবেষণার জন্য বিশেষ ধরনের ল্যাব এবং যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়, যা ছিল না বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিনা)।
সম্প্রতি এ ধরনের গবেষণার জন্য জিনোমিক্স বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করেছে বিনা। এ ল্যাবের মাধ্যমে উদ্ভিদের জিনের গঠন, কাজ, বিবর্তন, জিন ম্যাপিং এবং জিনোম এডিটিং সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাওয়া যাবে। ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত জিনোমিক্স ল্যাব উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বিনায় উন্মোচিত হয়েছে জিনোমিক্স গবেষণার দ্বার।
বিনার প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মনিরুল ইসলাম জানান, বিনায় নতুন জিনোমিক্স ল্যাব স্থাপন হওয়ায় বায়োটেকনোলজি বিভাগে জেনেটিক ট্রান্সফরমেশন, জেনোম এডিটিং টেকনিক ব্যবহারের মাধ্যমে পীড়ন সহনশীল বিভিন্ন ফসলের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন সম্ভব হবে। জিনোমিক্সের এ যুগে সঙ্গে তাল মিলিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার জন্য গবেষণাগারটিতে সব সুবিধা রয়েছে। গবেষণাগারটিতে জিনোম এডিটিং, জেনেটিক ট্রান্সফরমেশন, ফাংশনাল জেনোমিক্সসহ অত্যাধুনিক বায়োটেকনোলজিক্যাল গবেষণার সুযোগ রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একবিংশ শতাব্দী হচ্ছে জিনোমিক্সের যুগ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন কৃষি গবেষণায় জিনোমিক্সের ব্যবহার শুরু করেছে। বিনার বায়োটেকনোলজি বিভাগে জেনেটিক ট্রান্সফরমেশন, জিনোম এডিটিং টেকনিক ব্যবহারের মাধ্যমে পীড়ন সহনশীল বিভিন্ন ফসলের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন সম্ভব হবে।










