যশোরের বেনাপোল বন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যদের প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। সেখানে নিয়োগ দেয়া হয়েছে জেলা পুলিশ সদস্যদের। ৪০ সদস্যের এ দলের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ১৫ পুলিশ গতকাল সকাল থেকে বন্দরের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য ও পাসপোর্টধারীদের নিরাপত্তার কাজ শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন স্থলবন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন রেজা। বাকিরাও দু-একদিনের মধ্যে যোগ দেবেন বলেও জানান তিনি।

যশোরের শার্শার বেনাপোল বন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এপিবিএনের ৪০ সদস্যকে তুলে নেয়া হয়েছে। এর স্থলে নিয়োগ দেয়া হয়েছে ৪০ জন জেলা পুলিশকে। প্রাথমিকভাবে ১৫ জেলা পুলিশ বন্দরের নিরাপত্তার কাজ শুরু করেছে। বাকিরা দু-একদিনের মধ্যে যোগ দেবেন।

বেনাপোল বন্দরের নিরাপত্তা বাড়াতে ২০১২ সালের ৭ জুলাই এপিবিএন সদস্যদের নিয়োগ দেয়া হয়। বন্দরটিতে এপিবিএন ছাড়াও ১৬৩ আনসার সদস্য ও ১৪০ জন বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার কর্মী রয়েছে। তারা বন্দরের ৯৩ একর জমিতে স্থাপিত ৩৪টি ওয়্যারহাউজ ও একটি কার্গো ভেহিকল টার্মিনালের নিরাপত্তা এবং পাসপোর্টধারীদের ভ্রমণ-সংক্রান্ত নিরাপত্তায় কাজ করে থাকেন। ৪ নভেম্বর বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি সাহাজাদা মো. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এপিবিএন সদস্যদের বদলির নির্দেশ দেয়া হয়।

বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি আব্দুল আল মামুন জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গতকাল থেকে পুলিশ সদস্যরা বন্দরে নিরাপত্তায় কাজ শুরু করেছেন।

বেনাপোল বন্দর পরিচালক শামিম হোসেন রেজা জানান, জাতীয় নির্বাচনে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন প্রয়োজন হয়। এজন্য বন্দর থেকে ৪০ জন আর্মড পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আপাতত পোর্ট থানার ১৫ সদস্য কাজ শুরু করেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলা পুলিশ সদস্যরা যোগ দেবেন। এসব পুলিশ সদস্য বন্দরের নিরাপত্তাজনিত সব বিষয়ে সহযোগিতা করবেন।