যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করতে নির্মাণ করা হয় কুড়িগ্রামের রাজারহাট-আনন্দবাজার সড়ক। ১৯৯৯-০৩ সাল পর্যন্ত তিন দফায় ২ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয় হয় ১২ কিলোমিটার পাকা সড়ক নির্মাণে। এক যুগ ধরেও সড়কটির সংস্কার করা হয়নি। উঠে গেছে সড়কের পিচ। কোথাও কোথাও আবার দেবে গেছে। রয়েছে ছোট-বড় গর্ত। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সড়কটি। বরাদ্দ পেলে সড়কটি মেরামত করা হবে বলে জানিয়েছে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ।
সরজমিনে দেখা গেছে, সামান্য পথ এগোলেই সামনে পড়ছে খানাখন্দ। হেলে-দুলে চলছে যাত্রীবাহী অটোরিকশাসহ অন্যান্য যানবাহন। ভাঙা সড়কে গাড়ির ঝাঁকুনিতে বিরক্ত যাত্রীরাও। অসুস্থ রোগী নিয়ে এ সড়কে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয়দের। নষ্ট হচ্ছে যানবাহন, ঘটছে দুর্ঘটনাও।
যানবাহনের মালিক ও যাত্রীরা জানান, রাজারহাট উপজেলা শহর থেকে উলিপুর-চিলমারী সড়কের আনন্দবাজার পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার পাকা সড়ক। ২০ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে সময় লাগছে ১ ঘণ্টারও বেশি। ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে প্রতিদিন চলাচল করছে কয়েকটি ইউনিয়নসহ দুই উপজেলার অর্ধ লাখ মানুষ।
রাজারহাট উপজেলার উমরমজিদ ইউনিয়নের বালাকান্দি গ্রামের কাউসার আলী বলেন, ‘এ সড়কে দুর্ভোগ নিয়ে যাতায়াত করছি আমরা। এটি উমরমজিদসহ কয়েকটি ইউনিয়ন ও উলিপুর, চিলমারী উপজেলাবাসীর রংপুরে যাতায়াতের সহজ পথ। কিন্তু দীর্ঘদিন সড়কটির সংস্কার হয়নি। অসুস্থ রোগীকে এ সড়ক দিয়ে নিয়ে যেতে পারছি না।’
অটোরিকশা চালক ইদ্রিস আলী বলেন, ‘সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। ঝাঁকুনিতে অনেক সময় যাত্রীরাও ছিটকে পড়ে যান। আবার গাড়িও নষ্ট হয়।’
এ ব্যাপারে রাজারহাট উপজেলা প্রকৌশলী সোহেল রানা জানান, সড়কটি পুনর্নির্মাণে প্রকল্প তৈরি করে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে সংস্কার শুরু হবে।










