কুষ্টিয়ায় কলেজ শিক্ষকের হাতের কবজি কেটে নেয়ার ঘটনায় সন্দেহভাজন সাতজনকে গ্রেফতার করেছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সদস্যরা। গত শুক্রবার রাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গতকাল দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১২, সিপিসি-১, কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জিয়ারখী ইউনিয়নের বংশীতলা গ্রামের সলেমানের ছেলে মোশারফ হোসেন মশা (২৬), মোকাদ্দেস
হোসেনের ছেলে নাজিম উদ্দিন (২৭), আব্দুল
খালেকের ছেলে সামাদ (২৭), আইয়ুব
আলীর ছেলে মুহাইমেন হোসেন (২৭), সামেদ
আলীর ছেলে হালিম (৪০), আব্দুল
খালেকের ছেলে পলাশ (২৩) ও গোপাল শেখের ছেলে মুকুল (৪২)।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের কাছ থেকে তিন রাউন্ড গুলি এবং ম্যাগাজিনসহ একটি বিদেশী পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।
মোহাম্মদ ইলিয়াস খান জানান, দীর্ঘদিন স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে কলেজ শিক্ষক তোফাজ্জেল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার ডান হাতের কবজি কুপিয়ে বিছিন্ন করা হয়েছে। একই বিরোধে এর আগে একাধিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে বলেও জানা গেছে।
গত ৩১ মে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জিয়ারখী ইউনিয়নের বংশীতলা নতুন ব্রিজের ওপর কলেজ শিক্ষক তোফাজ্জেল বিশ্বাসের ডান হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন ও হত্যার চেষ্টা করে প্রতিপক্ষ। তোফাজ্জেল হোসেন কুমারখালী বাঁশগ্রাম কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। তিনি কুমারখালী বাগুলাট ইউনিয়নের শালঘর মধুয়া এলাকার জালা বিশ্বাসের ছেলে।
এ ঘটনায় বুধবার কুষ্টিয়া মডেল থানায় ওই শিক্ষকের ছেলে নাজমুস সাকিব বাদী হয়ে ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো পাঁচ-ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। বাকি আসামিরা পলাতক।










