আদালতের দৈনন্দিন কার্যক্রমে আইনজীবীরা অংশ না নেয়ায় ফিরে যেতে হচ্ছে বিচারপ্রত্যাশীদের। গতকাল দুপুরে জেলা আইনজীবী সমিতির ১ নম্বর ভবনের সেমিনার কক্ষে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন আইনজীবীরা।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, ‘ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ আইরিন পারভীনের আদালত বর্জন করেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। তিনি আইনজীবীদের বাদ রেখেই বাদী ও আসামি পক্ষের স্বজনদের নিয়ে বিচারকাজ করছেন। সেক্ষেত্রে বাড়তি পুলিশ ব্যবহারও করছেন। তিনি আইনজীবীদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছেন, যা সমীচীন নয়।’
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ নাজমুল আলম গত বছরের ২৮ আগস্ট বদলি হন। তিন মাস পর ৫ নভেম্বর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে মোহাম্মদ আলী যোগদান করেন। তবে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি মোহাম্মদ আলীও বদলি হয়ে গেলে জেলা ও দায়রা জজ পদটি শূন্য হয়ে পড়ে। এরপর থেকেই অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজদের মাধ্যমে জেলা জজ আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল, যা নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে বেশকিছু দিন ধরেই ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক এমএম মোর্শেদ বেশকিছু দিন ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজের দায়িত্ব পালন করলেও তিনি সম্প্রতি ঢাকায় বদলি হন। এরপর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক আইরিন পারভীনকে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ পদে দায়িত্ব দেয়া হয়। তবে এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আইনজীবীরা। এরই মধ্যে গত বুধবার তারা আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন।










