নেত্রকোনার শ্যামগঞ্জে
পুড়ে ছাই হয়ে গেছে রমজান উপলক্ষে মালামালে পরিপূর্ণ শতাধিক দোকান। গতকাল বুধবার (২২ মার্চ) রাতের ওই অগ্নিকাণ্ডের খবরে ঘটনাস্থলে আসতে গিয়ে ট্রাক চাপায় নিহত হন
উৎসুক দুই ব্যক্তি।
নিহতরা হলেন হুমায়ূন ও রুবেল। এ সময় আহত হন আরো পাঁচজন। হতাহতদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।
রাত ১১টার
দিকে আগুন লাগার খবর শুনে গৌরীপুরের বেলতলী থেকে অটোরিকশা করে আসতে গিয়ে ট্রাক চাপায় ঘটনাস্থলেই নিহত হয় হুমায়ূন। পরে গুরুতর আহত ছয়জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
নিয়ে গেলে সেখানে মারা যান রুবেল।
শ্যামগঞ্জ
হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক মো. আজিজুল বিষয়টি
নিশ্চিত করে জানান, নিহত রুবেলের মরদেহ
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে।
অপর নিহত হুমায়ূনের মরদেহ হাইওয়ে থানায়
রাখা হয়েছে।
পূর্বধলা
উপজেলার ময়মনসিংহ সড়কের শ্যামগঞ্জ বাজারের মোদকপট্রি ও কাচাঁবাজারে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ সময় মনোহারী, জুয়েলারি, হার্ডওয়ার, রেডিমেড গার্মেন্টস, চাল,
সুতা, ফার্নিচার, কাচাঁমালের দোকান ও
কয়েকটি বসত ঘরসহ পুড়ে গেছে অন্তত শতাধিক দোকান।
ফায়ার সার্ভিসের
৬টি ইউনিটের প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় রাত
সাড়ে বারটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে ।
ক্ষতিগ্রস্ত মনোহারী দোকানী পরিমল সরকার বলেন, আমাদের তিন ভাইয়ের তিনটি দোকান ছিল; মনোহারী, রেডিমেড গার্মেন্টস
ও কাচাঁমালের। কদিন আগে আমি সমিতি থেকে লক্ষাধিক টাকা তুলে মালামাল
ক্রয় করেছি। তিনটি দোকানে প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার মাল ছিল। আগুন লাগার সময় কিছু
টাকা ও চাবি ছাড়া আর কিছুই বের করতে পারিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে স্থানীয়রা জানায়, গতকাল রাত সাড়ে দশটার দিকে মন্ডল হার্ডওয়ারে বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। পাশের নূরুল আমীনের সুতার দোকান থেকে ধীরে ধীরে আগুন ছড়াতে থাকলে আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।










