ঠাকুরগাঁওয়ে এসএএম এগ্রো কেমিক্যালের মাইক্রো পুষ্টি ‘পিক’ কীটনাশক ব্যবহার করে আলুখেতে পচন দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ কৃষকের। সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের পশ্চিম পারপুগী গ্রামের ১০ কৃষকের সাত একর জমির আলুখেতে পচন ধরে নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের দাবি, আলুর গাছগুলো মরে যাওয়া শুরু করেছে। আলুর শেকড়ে পচন ধরে সেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে।
তবে এসএএম এগ্রো কেমিক্যালের এরিয়া ম্যানেজার নুরুজ্জামান বলেন, ‘কৃষকরা বলছেন “পিক” ব্যবহার করার কারণে এমন হয়েছে। আমি সরজমিন গিয়ে দেখে আমারও এটি মনে হয়েছে। “পিক” ব্যবহারের কারণে আল খেত নষ্ট হয়েছে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। তারা ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন।”
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নজমুল ইসলাম বলেন, ‘শুরুতে আলু গাছগুলো বেশ ভালো ছিল। ভিটামিন হিসেবে “পিক” ব্যবহার করার পরের দিন থেকে গাছগুলো মরে যাওয়া শুরু করে। নিচের শেকড়ে পচন ধরে সব শেষ হয়ে গেছে। আমরা এর ক্ষতিপূরণ চাই। আমাদের লাভ না দিলেও যা খরচ হয়েছে তা দিতে হবে।’
কীটনাশক বিক্রেতা আলম হোসেন বলেন, ‘ওই কোম্পানির কীটনাশক অনেক দিন ধরে বিক্রি করে আসছি। এর কাজও অনেক ভালো। এবারে যারা “পিক” কীটনাশক দিয়েছেন সবার আলু খেত নষ্ট হয়ে গেছে। আমি কোম্পানির লোকদের বিষয়টি জানিয়েছি। তারা বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।’
এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘এমন খবর শোনার পর আমরা খেতগুলো পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। খেতগুলোয় আলুর ফলন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এরই মধ্যে আমরা কীটনাশকটি পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছি৷ এটি যাতে আর বিক্রি না হয় এবং কৃষককে ক্ষতিপূরণে আমরা সমন্বয় করছি।’










