বৃষ্টি ও মৎস্য ঘেরের পানি জমে আছে সাতক্ষীরার স্থলবন্দরসংলগ্ন বেগম রাশিদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। নিচতলার শ্রেণীকক্ষ হাঁটুসমান পানিতে ডুবে আছে। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।

অন্যদিকে বিদ্যালয়ের মাঠ এক সপ্তাহ ধরে পানিতে ডুবে থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে। দূষিত পানিতে চর্মরোগ দেখা দিতে পারে—এমন আশঙ্কায় বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষিকা রাশিদা বেগম।

তিনি বলেন, ‘প্রতি বছর এভাবে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির সঙ্গে পাশের মৎস্য ঘেরের উপচে পড়া পানিতে বিদ্যালয়ে পানি জমে থাকে। ১৯৯৫ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে পাসের হার ভালো। নিয়মিত চার শতাধিক শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে এ বিদ্যালয়ে। ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায়ও পাসের হার ছিল ৯৫ শতাংশ। এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যালয়ের নিচতলার সবক’টি শ্রেণীকক্ষে হাঁটুসমান পানি। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। পানিতে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে চায় না। তাছাড়া ১৬ জন শিক্ষক ও ছয়জন কর্মচারী রয়েছেন বিদ্যালয়টিতে। এতগুলো শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক-কর্মচারী ভোগান্তি নিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছেন। বিদ্যালয়ের পাশেই অপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন ব্যক্তি মৎস্য ঘের করায় পানিতে বেশি ক্ষতি করছে। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহিদুর রহমান জানান, এ ব্যাপারে স্কুলের পক্ষ থেকে তাকে কিছু জানানো হয়নি। লিখিতভাবে আবেদন এলে সেটি বিবেচনা করা হবে। তাছাড়া এ বিষয়ে জেলা পরিষদে আবেদন করলে ভালো হয়। কেননা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অধীনে মাটি ভরাট বা এ ধরনের কোনো বরাদ্দ থাকে না।