বিদ্যুৎ
উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বন্ধের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ হয়েছে। গতকাল সকালে বরিশাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ শেষে শোভাযাত্রা বের হয়। প্রান্তজন, বৈদেশিক দেনা বিষয়ক কর্ম জোট (বিডব্লিউজিইডি) ও উপকূলীয় জীবনযাত্রা
পরিবেশ কর্মজোটের (ক্লিন) যৌথ আয়োজনে এ কর্মসূচি হয়েছে।
এ সময় বক্তারা বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশসহ পৃথিবীর বেশির ভাগ উন্নত দেশগুলো বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করছে। এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো অনেক ক্ষেত্রেই পরিবেশের ক্ষতি করার সঙ্গে সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। স্থানীয় মানুষ থেকে শুরু করে এখানে কর্মরত শ্রমিকরা মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বেআইনিভাবে জমি অধিগ্রহণের কারণে কিছু পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং তাদের মধ্যে কৃষক এবং মৎস্যজীবী থেকে শুরু করে অনেকেই পেশা বদলাতে বাধ্য হয়েছে। বালি দিয়ে ভরাটের কারণে স্থানীয় মানুষের বাসস্থান ও চাষযোগ্য জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ তাই জ্বালানি খাতে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধের দাবি জানান বক্তারা।
এ সময় বক্তারা ১২টি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো কৃষিজমি বা বাস্তুভিটায় কোনো জ্বালানি প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে না। এরই মধ্যে যাদের ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, তাদের জায়গায় গৃহীত প্রকল্পের লভ্যাংশ তাদের নিয়মিত দিতে হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্রসংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে নির্মাণের আগেই স্থানীয়দের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া, ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ ও বিতরণ এবং ক্রয়সংক্রান্ত কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে সংঘটিত দুর্নীতির তদন্তপূর্বক সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন ক্যাবের সমন্বয়কারী রণজিৎ দত্ত, আইনজীবী সুভাষ চন্দ্র দাস, আরোহির নির্বাহী পরিচালক এটিএম খোরশেদ আলম, এনভিএসের নির্বাহী পরিচালক শওকত আলী বাদল, প্রান্তজনের নির্বাহী পরিচালক এসএম শাহাজাদা, উন্নয়নকর্মী ইব্রাহিম হামিদ মাছুম প্রমুখ।










