এ মুহূর্তে সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো জ্বালানি সংকট মোকাবেলা করা।’

সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গতকাল ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভা এবং শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আমদানি করা গ্যাসের ওপর বেশি নির্ভরশীল। দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে এবং নতুন বিনিয়োগ আনতে সরকারকে কিছুটা সময় দিতে হবে।’ এ প্রক্রিয়া চলাকালীন স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কিছুটা ব্যাহত হলেও সার্বিক স্বার্থে তা মেনে নিতে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

উন্নয়নকে একটি সম্মিলিত প্রয়াস উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘তারুণ্যের শক্তি যেন সামাজিক শক্তি হিসেবে টিকে থাকে এবং কোনোভাবেই যেন এটি বিনষ্ট না হয়। কেননা এটি দেশকে এগিয়ে নেয়ার অন্যতম পূর্বশর্ত। আগামী দিনে কাঙ্ক্ষিত নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণদের এ শক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাবে সরকার।’

আলোচনা সভা শেষে ১৪টি শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা ও আর্থিক অনুদান দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে জুলাই যোদ্ধারা সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অবমূল্যায়িত হওয়ার অভিযোগ তোলেন। এ সময় সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মালিক বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে। জুলাই যোদ্ধারা জাতির গর্বিত সন্তান, তাদের কোনোভাবেই অবমূল্যায়ন করা যাবে না।’

সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীমসহ স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।