কারো পুড়ে গেছে হাত-পা, কারো চেহারা কারো বা শরীরের অন্য অংশ। স্ট্রেচারে করে একের পর এক আসছে পোড়া দেহ। বাইরে স্বজনদের আহাজারি। জরুরি বিভাগ থেকে হঠাৎ রোগীর নাম ধরে ডাক দেয়, কাব্যের বাবা আছেন? শ্রেয়ার মা আছেন? সন্তানের নাম শুনে ছুটে যান মা-বাবা। সন্তানের পোড়া দেহ দেখে স্বজনরা ভেঙে পড়ছেন।
ঠিক এমনই চিত্র ঢাকা বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের সামনে। মাইলস্টোনে আহত শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসা হচ্ছে এই হাসপাতালে। একজন অভিভাবক জানান,তার সন্তানের শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। বার্ন ইন্সটিটিউটের আইসিউতে তাকে রাখা হয়েছে।
এদিকে, আহত অনেকেরই চিকিৎসা হচ্ছে উত্তরা আধুনিক হাসপাতাল। সেখানেকার বাতাসও ভারী হয়ে উঠছে বাবা মায়ের আহাজারিতে। হাসপাতালের সামনে স্বজন দর্শনার্থীদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কাজ করতে পারছে না স্বেচ্ছাসেবকরা।















