গতকাল বিকালে সচিবালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী একান্ত বৈঠকে গভর্নরকে এ আশ্বাস দেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

বৈঠক শেষে গভর্নর সাংবাদিকদের বলেন, ‘‌ব্যাংক খাতে আমরা কী কী সংস্কার করছি, তার একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছি। এসব কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ওপর তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। এ ব্যাপারে তিনি খুবই ইতিবাচক।’

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ ব্যাপারে কোনো দ্বিমত নেই মন্তব্য করে গভর্নর বলেন, ‘বৈঠকে খেলাপি ঋণ কমানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বড় খেলাপিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা জোরদার করা, ঋণ পুনর্গঠন নীতিমালা কঠোর করা, ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের চিহ্নিত ও ব্যাংকগুলোর শ্রেণীকরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

অর্থনীতিতে ঋণপ্রবাহ সচল রাখতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া হচ্ছে জানিয়ে গভর্নর বলেন, ‘ব্যাংকারদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত আলোচনা হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন যে পদক্ষেপগুলো কাজ করতে শুরু করেছে। পাঁচ ব্যাংক নিয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক স্থিতিশীল রাখাও অন্যতম লক্ষ্য। পাঁচ ব্যাংকের পুরনো আমানতকারীরা ধীরে ধীরে টাকা পাচ্ছেন। একই সঙ্গে নতুন আমানতও আসছে।’

ব্যাংকটিতে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগের বিষয়ে গভর্নর বলেন, ‘এ ব্যাংকে এমডি হিসেবে যাকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল, তিনি অসুস্থ। এখন নতুন এমডি খুঁজতে হবে। এমডি নিয়োগ না দেয়া পর্যন্ত প্রশাসক ও পরিচালনা পর্ষদ সংস্কার কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। প্রয়োজনে বোর্ডের মেয়াদ ও পর্ষদ সদস্যও বাড়ানো হতে পারে।’