চাকরি
স্থায়ীকরণের দাবি জানিয়েছেন দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির আউটসোর্সিং কর্মচারীরা। আদালতের আদেশের পরও স্থায়ীভাবে নিয়োগ না পাওয়ার অভিযোগ
করেছেন তারা। রায় দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে মানববন্ধনসহ
কঠোর কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। গতকাল দিনাজপুর প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান
আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া কর্মচারীরা।
সংবাদ সম্মেলনে কর্মচারীরা বলেন, ২০১৩ সালের ২৩ জুলাই তাদের চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনা দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী। আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বারবার স্থায়ীকরণের আশ্বাস দিলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। নিরূপায় হয়ে ২০১৮ সালে উচ্চ আদালতে রিট করেন ৮৭ জন কর্মচারী। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে একই বছরের ৮ অক্টোবর রায় দেন। এতে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্তদের বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করে ২০০৯ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির অধীনে স্থায়ী নিয়োগের বিষয়টি তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেয়া হয়। এ রায়ের বিপক্ষে খনি কর্তৃপক্ষ ২০১৯ সালে আপিল করে। রিভিউ পিটিশনও দায়ের করেছিল। উচ্চ আদালত ২০১৮ সালের রায় বহাল রেখে আপিল এবং রিভিউ পিটিশন খারিজ করে দেন।
কর্মচারী সোহেল রানা জানান, ২২-২৩ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করছেন তারা। আদালত স্থায়ীভাবে নিয়োগের রায়ও দিয়েছেন। এর পরও স্থায়ী নিয়োগ নিয়ে গড়িমসি করছে পেট্রোবাংলা।










