সংসদীয় আসন পুনর্বহালের দাবিতে বাগেরহাটে নির্বাচন অফিসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি। গতকাল সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত জেলা নির্বাচন অফিস ও প্রতিটি উপজেলা নির্বাচন অফিসের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচি শেষে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি আরো তিনদিনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। সে অনুযায়ী বৃহস্পতিবারও নির্বাচন অফিসে অবস্থান কর্মসূচি এবং শুক্র ও শনিবার গণস্বাক্ষর কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির কো-কনভেনর ও জেলা বিএনপির সমন্বয়ক এমএ সালাম বলেন, ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আসন্ন শারদীয় দুর্গা পূজায় ভোগান্তি দূর করতে দুদিনের হরতাল প্রত্যাহার করে নতুন কর্মসূচি দেয়া হয়েছিল। সে অনুযায়ী আসন পুনর্বহালের দাবিতে গতকাল জেলা এবং সব উপজেলার নির্বাচন অফিসে আন্দোলনকারীরা অবস্থান নেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি বৃহস্পতিবার থেকে আরো তিনদিনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে।’
৩০ জুলাই দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে একটি আসন কমিয়ে তিনটি করার প্রাথমিক প্রস্তাব দেয় নির্বাচন কমিশন। এর পর থেকেই আন্দোলন শুরু করে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি।
চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে অংশগ্রহণও করেন তারা। ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন শুধু সীমানা পরিবর্তন করে তিনটি আসন বহাল রেখে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে কমিশন। এ আসন বিন্যাস গণমানুষের দাবিকে উপেক্ষা করেছে বলে মনে করেন সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীরা।
চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী, সদর উপজেলা, চিতলমারী ও মোল্লাহাট নিয়ে বাগেরহাট-১ আসন হবে। আর ফকিরহাট, রামপাল ও মোংলা নিয়ে বাগেরহাট-২ এবং কচুয়া, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা নিয়ে হবে বাগেরহাট-৩ আসন।
স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে চারটি আসনে নির্বাচন হয়ে আসছিল। তখন চিতলমারী, মোল্লাহাট ও ফকিরহাট ছিল বাগেরহাট-১ আসনে, সদর ও কচুয়া নিয়ে ছিল বাগেরহাট-২ আসন। এছাড়া রামপাল ও মোংলা নিয়ে বাগেরহাট-৩ এবং মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা নিয়ে ছিল বাগেরহাট-৪ আসন।










