গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ইভো ফ্রেইজেনের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ কথা জানান। এ বিষয়ে তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করার জন্য বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য ইউএনএইচসিআরের অব্যাহত সহায়তার প্রশংসা করেন, বিশেষ করে রোহিঙ্গা রেসপন্স প্ল্যানের আওতায় তাদের নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য বাস্তবসম্মত পথ খুঁজে বের করা এবং একই সঙ্গে ভাসানচর ও কক্সবাজারে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ ইউএনএইচসিআর এবং অন্য অংশীদারদের সঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখবে।’

অর্থায়নের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি ইউএনএইচসিআরকে যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনার (জেআরপি) আওতায় খাদ্য, ওষুধ, পানি ও স্যানিটেশন এবং শিক্ষাসহ জরুরি মানবিক চাহিদা পূরণের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। উভয় পক্ষ রোহিঙ্গা ইস্যুর প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ ধরে রাখতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সম্মত হন। ফ্রেইজেন বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার জন্য বাংলাদেশের অব্যাহত উদারতার প্রশংসা করেন এবং মানবিক সংকট মোকাবেলায় দেশটিকে সহায়তা করার জন্য ইউএনএইচসিআরের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।