ময়নাতদন্ত শেষে নিজ নিজ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে দুই পুলিশ সদস্যের মরদেহ। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি। নিহত দুই পুলিশ সদস্য হলেন-খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার খন্দকার লাবনী এবং মাগুরা পুলিশের কনস্টেবল মাহমুদুল হাসান।

এর আগে গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার সারঙ্গদিয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন খন্দকার লাবনী। তিনি ছুটিতে দুই সন্তানসহ গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তার স্বামী আব্দুল্লাহ তারেক বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-পরিচালক হিসাবে খুলনায় কর্মরত। ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত আব্দুল্লাহ বর্তমানে ভারতে চিকিৎসাধীন।

অন্যদিকে বুধবার রাতের ডিউটি শেষে বৃহস্পতিবার সকালে মাগুরা পুলিশ লাইন ব্যারাকের ছাদে নিজ অস্ত্র দিয়ে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেন কনস্টেবল মাহমুদুল হাসান। দেড় মাস আগে খুলনা থেকে বদলি হয়ে মাগুরায় এসেছিলেন তিনি। খুলনায় এডিসি খন্দকার লাবনীর দেহরক্ষী হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। মাহমুদুলের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুরে। তার বাবা এজাজুল হকও বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য। তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলায় কর্মরত।

মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহম্মদ কলিমুল্লাহ জানান, দুটি আত্মহত্যার ঘটনায় মাগুরা সদর থানায় ও শ্রীপুর থানায় আলাদা দুটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মরদেহদুটি ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।