অগ্রহায়ণের শেষে এসে চুয়াডাঙ্গায়  শীত জেঁকে বসেছে। দ্রুত কমতে শুরু করেছে জেলার তাপমাত্রা। একদিনের ব্যবধানে কমেছে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তর দিক থেকে আসা শীতল বাতাস জেলায় ঠাণ্ডা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক তহমিনা নাসরিন জানান, গতকাল রোববার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৮ শতাংশ। ওই দিন সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসের তাপমাত্রা ছিল ৯২ শতাংশ।

তুলনা টেনে তিনি বলেন, আজ সোমবার সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসের আর্দ্রতা রয়েছে ৯১ শতাংশ। আজ সকাল ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ওই সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।

আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, ডিসেম্বরের শেষ দিকে চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মাঝারি থেকে তীব্র আকারের একটি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

এদিকে হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে জনদুর্ভোগ বেড়ে গেছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ বিপাকে পড়েছেন। জেলার হাসপাতালে ঠাণ্ডা জনিত রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। বয়স্ক ও শিশুরা নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। কুয়াশার কারণে সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন।