বান্দরবানে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার পাঁচটি জনগোষ্ঠীর নেতারা দাবি করেছেন, জাতিগতভাবে তারা পাহাড়ের সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট
(কেএনএফ) ও ইসলামী জঙ্গিদের সঙ্গে জড়িত নন। কেউ বিপথগামী
হয়ে বিচ্ছিন্নভাবে এ ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। গতকাল
পাঁচটি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি করা হয়।
জেলা শহরের অরুণ সারকি টাউন হলে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার
দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী ম্রোসহ লুসাই,
খুমী, খিয়াং ও পাংখোয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বক্তব্য
রাখেন।
বান্দরবানের শান্তিপ্রিয় জনসাধারণের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা
বলেন, পাহাড়ে হঠাৎ আবির্ভূত
কেএনএফের দাবি, তিন পার্বত্য জেলার বম, ম্রো,
লুসাই, খুমী,
খিয়াং ও পাংখোয়া—এ ছয় জাতি মিলে কেএনএফ সংগঠন গঠিত হয়েছে। এ ছয় জাতির
মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কেএনএফ আন্দোলনে নেমেছে। কেএনএফ আমাদের পাঁচ
সম্প্রদায়ের নাম ব্যবহার করে,
কখনো কুকি চিন
রাজ্য, কখনো খ্রিস্টান রাজ্য
প্রতিষ্ঠার কথা তুলে ধরে, পার্বত্য শান্তি চুক্তিকে
বিরোধিতা করে ও জনমতকে বিভ্রান্ত করে জেলায় জাতিগত বিভাজন তৈরির অপচেষ্টা
চালাচ্ছে।
কেএনএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসী কার্যকলাপ,
জাতিগত বিভাজন ও
ইসলামী জঙ্গিদের আশ্রয়দান. পার্বত্য শান্তি চুক্তির
বিরোধিতা ইত্যাদি হঠকারি অপতত্পরতার সঙ্গে পাঁচ আদিবাসী সম্প্রদায় কোনোক্রমে জড়িত
নয় বলে দাবি করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক থানজামা লুসাই, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য সিংইয়ং
ম্রো, সিংঅং খুমী, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য
ম্রাসা খিয়াং, থানচি উপজেলা পরিষদের
সাবেক চেয়ারম্যান খামলাই ম্রো ও লেলুং খুমী।










