পটুয়াখালীর বাউফলের ধুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রাচীর নির্মাণকাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর আগে চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর ধুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বেদখলকৃত জমি উদ্ধার করে প্রশাসন। উদ্ধারকৃত জমিতে প্রাচীর নির্মাণকাজ শুরু করলে বাধা দেয় স্থানীয় একটি মহল। এতে বন্ধ রয়েছে প্রাচীর নির্মাণকাজ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ধুলিয়া ইউনিয়নের চাঁদকাঠি গ্রামের মৃত সামসুদ্দিনের ছেলে আমিনুল ইসলাম (৪৭) কয়েক বছর আগে ধুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের দেড় শতাংশ জমি দখলে নিয়ে আধাপাকা দোকানঘর নির্মাণ করেন। ওই দোকানঘর ভাড়া নিয়ে দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তি চায়ের দোকান করেন। চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বায়েজিদুর রহমান উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে ওই আধাপাকা ঘর ভেঙে দেন। উদ্ধারকৃত জমিসহ ধুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ও ভূমি অফিসের নিরাপত্তার জন্য সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকাজ শুরু করে ভূমি মন্ত্রণালয়। তবে ওই জমি নিজেদের দাবি করে নির্মাণকাজে বাধা দেয় আমিনুল ইসলাম মামুনের লোকজন।
এছাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) বায়েজিদুর রহমানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে ওই দোকানঘর ভেঙে ফেলার ঘটনায় চাঁদাবাজি মামলা করেন চা-বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন। মামলায় ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ন কবির, ধুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আনিচুর রহমান জুয়েল, ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিনসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ন কবির বলেন, পরিষদের জমি সাবেক চেয়ারম্যানের সময়কাল থেকে বেদখল। গত ২২ সেপ্টেম্বর এসিল্যান্ড উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে দোকানঘর ভেঙে দেন। চেয়ারম্যান হিসেবে আমি উপস্থিত ছিলাম মাত্র। তার পরও আমাকেসহ পাঁচজনের নামে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মো. আমিনুল ইসলাম (মামুন) বলেন, পরিষদের মধ্যে আমাদের জমি রয়েছে। সে জমিতে ঘর তোলা হয়েছিল। অবৈধভাবে আমাদের ঘর ভেঙে দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বায়েজিদুর রহমান বলেন, প্রাচীর নির্মাণে কেউ বাধা দিলে সেটা ইউনিয়ন পরিষদ দেখবে।










